Bakul Kumar

I am a Creative Love....r

Hello! WellCome!


Dear, I am Bakul Kumar. Full Stack Web Developer. Interested in web Design, Development and Social Media Marketing.

Strive to fully understand clients, what they need, from start to finish and understand each problem, to help..

Try to understand problems, needs and initiatives. After completing the website and instructing the user to add, modify, update and post pages to the site without assistance..

I am design verious website such as - WordPress, Google Blogs, html, css, Analytics, Social Media Marketing , Google Map setup.

  • Natore, Dhaka, Bangladesh.
  • +8801783070172
  • bakulksarkar@gmail.com
  • dev-bakulk.com
Me

My Skills

WordPress Website- Ecommerce, Woocommerce, Woodmart Website, Landing Page, Business Portfolio, Divi Website, Astra Website, Blogger, BlogSpot, Web Marketing, Youtube, Social Marketing etc.

Web Design and Web Development 90%
Social Media Marketing 95%
Google Blogger Site Edit 90%
Wordpress 90%

Website Creation, Social Marketing

I can design any sort of Google Blogpot, Google Site, WordPress Website, html more Social media marketing for Your E-commerce, Woocommerce, Business, Organization, Agency, Real Estate, Internet Business Store, Shop, Blogs, Blogger, Blogspot and so forth.

Online Store

I would creation a practical web-based store with an installment entryway be able to help and add shopping basket usefulness into You're existing site.

Responsive Design

The website is fully responsive. Mobile supported. It will display your business website on any device. You can sell your product through mobile or tab..

Bug

Code is essential for the website. There is some code for the site. Site made by web language. So hand coding, it is vital to have significant coding. Add Google Search Console, Adsense code. You get 100 percent ensure in every one of them.

Problems,Speed,Review

I can fix any type of issues and bugs for any site. Paying attention to web speed, google search,Analitics will be set up. Finally you will show up for the review. Will be redesigned if necessary.

Fast support and Delivery

Analyzing everything, on the off chance that everything works positively, I unveil this website to everyone. Always work with client's advice. Finally we deliver the project on time and provide support even after delivery.

1.**Discussion**

We start each project with an in-depth discussion. We try to understand your business type, goals, and brand vision well. In this way, we can know what your real needs are and how to provide an effective solution accordingly.

2.**Planning**

No work is successful without proper planning. So we create a clear roadmap where the timeline, design concept, features, and marketing strategy are determined. This step is the foundation for the success of the project.

3.**Design**

Design is not only important for looking good, but also for improving the user experience (UX). We design web designs that are modern, responsive, and in line with the brand, which gives your business a different iden

4.**Coding**

A clean, optimized and responsive website requires some hand coding. The websites we create load quickly, run smoothly on all devices and can be easily updated in the future.

5.**Problems and Review**

Each part is tested multiple times before going live. Design, features, performance and security – everything is ensured so that your website is perfect and provides a hassle-free experience for the user.

6.**Website Redy to Use**

After everything is done, your website is made live. You can easily use it and present your business online on a larger scale. In addition, we also provide digital marketing support so that your website reaches the target customer quickly.

0
completed project
0
design award
0
facebook like
0
current projects
  • Web Developer & Web Designer: Skills, Roles, and Career Guide

    Web Developer & Web Designer: A Complete Guide

    In the modern digital era, the roles of Web Developer and Web Designer are essential for building successful websites. Although these two professions work closely together, their responsibilities and skill sets are different. This article explains their roles, differences, and importance in simple terms.

    Who Is a Web Designer?

    A Web Designer focuses on the visual appearance and user experience of a website. Their goal is to create an attractive and user-friendly design that keeps visitors engaged.

    • Design website layout and structure
    • Choose colors, fonts, and typography
    • Create UI/UX designs for better user experience
    • Use tools like Figma, Adobe XD, and Photoshop

    Who Is a Web Developer?

    A Web Developer converts designs into a functional website using programming languages. Developers make sure that the site works properly, loads fast, and runs smoothly on all devices.

    • Front-end development with HTML, CSS, and JavaScript
    • Back-end development using PHP, Python, or Node.js
    • Ensure responsive design for mobile and tablet
    • Improve performance, speed, and security

    Web Designer vs Web Developer

    The main difference between a web designer and a web developer lies in their focus. Designers concentrate on how a website looks, while developers focus on how it works.

    • Web Designer: Visual design, layout, and user experience
    • Web Developer: Functionality, coding, and performance

    Why Are Both Important?

    A website needs both good design and strong development. Without good design, users may lose interest. Without proper development, the website may not function correctly. Together, designers and developers create professional and successful websites.

    Conclusion

    Web Designers and Web Developers play different but equally important roles. If you enjoy creativity and visual design, web design may be the right choice for you. If you enjoy coding and problem-solving, web development could be your career path. Learning both can help you become a full-stack web professional.

  • He became an entrepreneur and a millionaire.

    উদ্যোক্তা হয়ে কোটিপতি হওয়া সম্ভব।

    গ্রামে একসময় কোটিপতি লোক দেখায় যেতো না, কিন্তু বর্তমানে আপনি গ্রামে অহরহ কোটিপতি লোক দেখতে পাবেন। আমাদের ছোট বেলায় হাতে গোনা দুই একজন লোক ছিল কোটিপতি। তাও আবার উপজেলায় দুই একজন মাত্র। ৯০ দশকের পর শিল্প কারখানার বেশ বিকাশ ঘটে। ফলে বিগত দুই তিন দশকে যারা ঠিকমতো খেতে পারতো না তাদের অনেকেই কোটিপতির কোঠায়।

    যাইহোক গ্রামেরও এখন আর আগের মতো নাই। গ্রামেও ব্যবসা-বাণিজ্য বেশ ডেভোলপ হয়েছে। উন্মুক্ত হয়েছে অনেক বিজিনেসের। জনসংখ্যার বৃদ্ধির কারণে সব কিছুরই চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে। আগে একসময় রাস্তায় গাড়ী-ঘোড়া ঠিকমতো পাওয়া যেতো না। এখন কিআর সেই দিন আছে। ইজি বাইকের জন্য, গ্যাসের সহজলভ্যতার কারণে রাস্তায় গাড়ীর অভাব নেই।

    বর্তমান সময়ে শহরের চাকরির পেছনে ছুটে চলার ভিড়ে আমরা প্রায়ই ভুলে যাই, আমাদের গ্রামেই লুকিয়ে আছে আয়ের বিশাল সম্ভাবনা। একটু চিন্তা-ভাবনা ও পরিশ্রম দিয়ে একজন সাধারণ মানুষও গরু পালন ও মৎস্য চাষের মাধ্যমে নিজেকে গড়ে তুলতে পারেন একজন কোটিপতিতে।


    গবাদিপশু পালন একটি লাভজনক উদ্যোক্তা ক্ষেত্র

    কেন গরু পালন লাভজনক?

    • চাহিদা সবসময় রয়েছে: গো-মাংস ও দুধের চাহিদা শহর ও গ্রাম উভয় জায়গায় প্রবল।
    • প্রাকৃতিক সম্পদের সহজলভ্যতা: গ্রামে রয়েছে খালি জায়গা, জলাশয়, নদী, পুকুর ও সবুজ ঘাসের মাঠ—যা গরু পালনের জন্য উপযুক্ত।
    • সরকারের সহায়তা: প্রাণিসম্পদ থেকে প্রশিক্ষণ, ভর্তুকি, ঋণ ও কারিগরি সহায়তা পাওয়া যায়।

    প্রথমে ২-১ টি গরু কিনে শুরু করেন গরু মোটাতাজাকরণ। ধীরে ধীরে গরুর সংখ্যা বাড়ান, পরে বড় খামার প্রতিষ্ঠা করেন।

    ✅ গরু পালনে বাস্তব রূপরেখা:

    শুধু মাত্র এই গরু লালন-পালন করেই আপনি হয়ে যেতে পারেন কোটিপতি। ধরুন আপনি ১ টি গরু পালন দিয়েই শুরু করলেন। ১টি উঠতি গরু কিনবেন। যে গরু সহজেই মোটাতাজা করা যাবে। তবে সেই গরু কিন্তু আপনাকে চিনে নিতে হবে। আপনি যদি না চেনেন তবে কোনো বিশ্বস্ত গরুর দালাল এর সহায়তা নিতে পারেন।

    ধরুন আপনি ৮০,০০০/- টাকায় একটি গরু কিনলেন। ৩ মাস মোটাতাজা খাবার বাবদ খরচ ৩০,০০০/- টাকা। মোট খরচ হলো ১,১০,০০০/- টাকা। বিক্রি হবে ১,৭০,০০০/- টাকা। লাভ হবে ৫০,০০০/- টাকা। বছরে আপনার লাভ হবে প্রায় ১,৫০,০০০/- টাকা। প্রথম গরুর পালনে লাভ কম-বেশি হতে পারে, তবে ঠিকমত ওষুধ এবং খাবার দিলে এমনই লাভ আশা করা যায়।

    যখন আপনি গরুর প্রজেক্ট শুরু করবেন, তখন আপনার গরুর সংখ্যা দিন দিন বাড়বে। একসময় একসাথে ৫০ টি গরু পালন করতে পারলে আর পিছে ফিরে তাকাতে হবে না।

    মূলধন কোথায় পাবেন:

    আপনার পকেটে যদি একটি টাকাও না থাকে তবেও আপনি শুরু করতে পারেন। কর্মসংস্থান ব্যাংক,  কিংবা সরকারি ব্যাংক থেকে ঋণ বা ভর্তুকি নিতে পারেন। কোনোভাবে টাকা ম্যানেজ করে আজই শুরু করুন আপনার প্রজেক্ট।

    টিপস্:

    • প্রথমে ২-১ টি গরু দিয়ে শুরু করুন।
    • সঠিক খাবার ও পরিচর্যা নিশ্চিত করুন।
    • স্থানীয় প্রাণিসম্পদ অফিসের পরামর্শ নিন।
    • উন্নত জাতের গরু বাছাই করুন এবং দালাল থেকে সাবধান থাকুন।

    উপসংহার:

    গ্রামে বসে শুধু কৃষি নয়, গরু পালন ও মৎস্য চাষ করে একজন মানুষ তার ভাগ্য বদলে ফেলতে পারেন। দরকার শুধু ইচ্ছা, সঠিক পরিকল্পনা, এবং কিছুটা সাহস। আজকের দিনে প্রযুক্তি, প্রশিক্ষণ, ও তথ্য সহজলভ্য হওয়ায় এই খাতে সফল হওয়া আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে অনেক সহজ।

    তাহলে এখনই পরিকল্পনা করুন, ছোট থেকে শুরু করুন। আগামী সফল উদ্যোক্তার গল্প হতে পারেন আপনিও।

    become a millionaire

  • If the things on the website are correct, you can get monetization.

    #For Monetization, Website conditions.

    ইন্টারনেটের এই যুগে ওয়েবসাইট তৈরি করা এখন খুব সহজ। আপনি ফ্রি সাইট, গুগল সাইট, ওয়ার্ডপ্রেস সাইট বা অন্যান্য সাইট সহজেই তৈরি করতে পারবেন। কিন্তু একটি ওয়েবসাইট তৈরি করলেই হয় না, শুধু ওয়েবসাইট থাকা যথেষ্ট নয়, সেটিকে আয়ক্ষম বা মনিটাইজ করার জন্য কিছু মানদণ্ড পূরণ করা প্রয়োজন। কোনো ওয়েবসাইট মনিটাইজেশন পাওয়ার জন্য উপযুক্ত কিনা তা বোঝার জন্য নিম্নলিখিত বিষয়গুলো বিবেচনা করা জরুরি। নিম্নে আলোচনা করা।

    ---

    1. Quality Content (কনটেন্ট মান ):

    ওয়েবসাইট মনিটাইজ করার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো **কনটেন্টের মান**।

    বিশেষ করে যে কনটেন্টগুলো মানুষ সার্চ করছে বা করবে, সেই ধরনের কনটেন্ট যদি আপনি দিতে পারেন তবে আপনার ওয়েবপেজ রিচ বাড়বে এবং সেক্ষেত্রে *গুগল* আপনাকে গুরুত্ব দেবে। সাথে সাথে আপনি মনিটাইজ উপযুক্ততার দিকে অগ্রসর হবেন।

    * কনটেন্ট সবসময় **অরিজিনাল* এবং *পাঠকদের জন্য উপযোগী* হতে হবে।

    * স্প্যাম বা কপি-পেস্ট কনটেন্ট এড়িয়ে চলতে হবে।

    * SEO-friendly কনটেন্ট তৈরি করলে সার্চ ইঞ্জিনে ভালো র‍্যাংক পাওয়া যায়।

    উদাহরণ: ব্লগ, টিউটোরিয়াল, প্রোডাক্ট রিভিউ, নিউজ আর্টিকেল ইত্যাদি।

    ---

    2. Website Traffic (সাইটের ট্রাফিক):

    মনিটাইজেশন প্রক্রিয়ায় ওয়েবসাইটের *ট্রাফিক* বড় ভূমিকা রাখে।

    * বেশি ভিজিটর মানে বেশি বিজ্ঞাপন দেখার সুযোগ।

    * নিয়মিত ভিজিটর থাকলে অ্যাড নেটওয়ার্ক বা স্পন্সররা আগ্রহী হয়।

    * Google AdSense বা affiliate প্রোগ্রামে যোগ দেয়ার জন্য সাধারণত **minimum traffic** থাকে।

    টিপস: সোশ্যাল মিডিয়া, SEO এবং email marketing ব্যবহার করে ট্রাফিক বাড়ানো যায়।

    ---

    3. Regular Updates (নিয়মিত আপডেট ):

    ওয়েবসাইট নিয়মিত আপডেট হয় কিনা সেটিও গুরুত্বপূর্ণ।

    * নতুন আর্টিকেল বা কনটেন্ট যোগ করা মনিটাইজেশন প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে।

    * ভিজিটররা ফিরে আসে এবং engagement বাড়ে।

    * ওয়েব সাইটে ১৫-২০ টি ভলো মানের পোস্ট থাকা দরকার এবং প্রতিটি পোস্ট কমপক্ষে ৭০০ শব্দের       হওয়া উচিত।

    উদাহরণ: সপ্তাহে অন্তত ২–৩টি নতুন পোস্ট করা।

    ---

    4. UX (ওয়েবসাইট ডিজাইন ও ইউজার এক্সপেরিয়েন্স ):

    একটি সুন্দর এবং ইউজার-ফ্রেন্ডলি ওয়েবসাইট মনিটাইজেশনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    * Responsive design → মোবাইল, ট্যাব ও ডেস্কটপে সুন্দরভাবে দেখাতে হবে।

    * দ্রুত লোড হওয়া ওয়েবসাইট → Bounce rate কমাতে সাহায্য করে।

    * সহজ নেভিগেশন → ভিজিটরদের সহজে কনটেন্টে পৌঁছাতে সাহায্য করে।

    টুল: Google PageSpeed Insights দিয়ে ওয়েবসাইটের performance চেক করা যায়।

    --

    5. Compliance & Policy (মনিটাইজেশন নীতিমালা পূরণ ):

    Google AdSense বা অন্য বিজ্ঞাপন নেটওয়ার্কের নিয়ম মেনে চলা জরুরি।

    * ওয়েবসাইটে **adult content, copyrighted content, illegal content* থাকা উচিত নয়।

    * Privacy Policy, About Page এবং Contact Page থাকা ভালো।

    * কনটেন্ট এবং বিজ্ঞাপন স্প্যামমুক্ত ও নিরাপদ হতে হবে।

    ---

    6. Domain & Hosting  (ডোমেইন ও হোস্টিং ):

    * প্রফেশনাল ডোমেইন যেমন `.com`, `.net` বা `.org` রাখা ভালো।

    * ভালো স্পিড এবং নিরাপদ হোস্টিং মনিটাইজেশনে সুবিধা দেয়।

    টিপস: Shared hosting শুরুতে ঠিক থাকে, পরে ভিজিটর বাড়লে VPS বা Cloud Hosting নেওয়া যায়।

    ---

    7. Monetization Options (মনিটাইজেশন অপশন ):

    একবার ওয়েবসাইট প্রস্তুত হলে বিভিন্নভাবে আয় করা যায়:

    1. *Google AdSense* → জনপ্রিয় পপুলার অ্যাড নেটওয়ার্ক।

    2. *Affiliate Marketing* → অন্য প্রোডাক্ট বা সার্ভিস promote করে কমিশন পাওয়া।

    3. *Sponsored Content* → ব্র্যান্ড/কোম্পানি থেকে স্পন্সরড আর্টিকেল।

    4. *Digital Products* → eBook, courses, templates বিক্রি করা।

    ---

    8. সাইটে গুরুত্বপূর্ণ পেজ থাকা:

       * About Us
       * Contact Us
       * Privacy Policy
       * Terms & Conditions (ঐচ্ছিক কিন্তু পজিটিভ ইমপ্রেশন দেয়)

       ---

     9. Responsive:

     **Responsive ডিজাইন এবং নেভিগেশন**: ওয়েবসাইট যেন মোবাইলে ও ডেস্কটপে ঠিকভাবে কাজ         করে
       ----

    10. টিপস:

    * Google Search Console ও Google Analytics যুক্ত করুন।
    * পোস্টে ভালো SEO করুন।
    * সাইট সাবমিট করুন গুগল ও বিং এ।

    উপসংহার

    মনিটাইজেশন পাওয়ার জন্য ওয়েবসাইট কেবল কনটেন্ট নিয়ে সীমাবদ্ধ নয়। **কনটেন্ট মান, ট্রাফিক, নিয়মিত আপডেট, ইউজার এক্সপেরিয়েন্স, নিয়মনীতি এবং প্রফেশনাল সেটআপ** — সবই গুরুত্বপূর্ণ। এই মানদণ্ডগুলো পূরণ করলে ওয়েবসাইট সহজেই আয়ক্ষম হয়ে ওঠে।

    ---


    If the things on the website are correct.w

    The end
  • New Xbox The Future of Streaming Games?

    New Xbox Cloud Streaming Games.

    Cloud gaming is no longer a concept of the future — it's already here, and Microsoft’s Xbox Cloud Gaming (formerly xCloud) is at the forefront of this revolution. But what is it really, and how is it reshaping how we play?

    What is Xbox Cloud Gaming?

    Xbox Cloud Gaming is Microsoft’s streaming-based gaming service that allows you to play high-quality console games directly from the cloud — without downloading or installing them. You can play on supported devices like smartphones, tablets, browsers, smart TVs, and even older Xbox consoles.

    Recent Updates & Features

    • Stream Your Owned Games – If a game you own is cloud-enabled, you can now stream it even if it’s not part of Game Pass.
    • Network Quality Indicator – Shows real-time connection quality during gameplay to help you troubleshoot lag or connection drops.
    • Improved Save Sync – Tracks save progress more accurately across multiple devices.
    • More Device Support – Expanded compatibility with newer devices and operating systems, including TVs and browser-based access.

    Key Benefits

    • No downloads needed – Save time and storage.
    • Play on almost any device – Including budget smartphones or low-end PCs.
    • Game progress syncs – Seamless cross-device gaming experience.
    • Game variety – Access to hundreds of titles via Game Pass Ultimate and growing.

    Limitations

    • Requires fast and stable internet – Ideally 20Mbps+ and low latency.
    • Not all games are cloud-enabled – Some titles can’t be streamed.
    • Performance varies by device – Touch controls or lower-end screens may reduce the experience.
    • Game Pass price increases – Subscription fees may change depending on region.

    Future Potential

    Microsoft is experimenting with ad-supported free tiers, which could make Xbox Cloud Gaming accessible to more people. As internet infrastructure improves globally, and support for touch, keyboard, and controllers expands, the platform is likely to become even more mainstream.

    Conclusion

    Xbox Cloud Gaming offers a practical alternative to traditional console and PC gaming. For those with reliable internet but limited hardware, it’s a powerful way to access high-end games. As the service matures, we can expect even better performance, more supported games, and possibly, more flexible pricing options.


    Xbox Cloud Gaming.w


  • What is the (Document Object Model) DOM Size.

    Website Document Object Model (DOM) 

    DOM সাইজের পুরো অর্থ হলো - Document Object Model. সংক্ষেপে যাকে বলা হয়ে থাকে DOM. আসলে ওয়েবাসাইটের Document Object Model (DOM) হলো একটি রূপক ট্রি বা গাছের মতো। যেখানে গাছের মতো কাঠামো, যেখানে আপনার পেজের প্রতিটি HTML ট্যাগ (`<div>`, `<p>`, `<img>`, `<ul>` ইত্যাদি) একটি 'নোড' হিসেবে যোগ হয়।

    আরো সহজভাবে বলতে গেছে DOM size মানে হলো একটি ওয়েবপেজে মোট কতগুলো নোড/এলিমেন্ট আছে।

    ---

    DOM size এর গুরুত্ব:-

    একটি ওয়েবসাইটে DOM size এর অনেক গুরত্ব রয়েছে। নিম্নে আলোচনা করা হলো:- 

    1. পারফরম্যান্স (গতি)

       DOM অনেক বড় হলে ব্রাউজারকে রেন্ডার (দেখানো), রিফ্লো (পুনরায় হিসাব) এবং জাভাস্ক্রিপ্ট চালাতে বেশি সময় লাগে।

       ফলে ওয়েবসাইট ধীরে লোড হয়।


    2. SEO এবং Google PageSpeed Insights

       গুগল বড় DOM size পছন্দ করে না।

       PageSpeed রিপোর্টে অনেক সময় সতর্কবার্তা আসে:

       "Avoid an excessive DOM size" (অতিরিক্ত DOM সাইজ এড়িয়ে চলুন)।


    3. মেমোরি ব্যবহার

       বড় DOM বেশি মেমোরি খরচ করে। বিশেষ করে মোবাইল ডিভাইসে সমস্যা করে।

    ---


     Google-এর নিয়ম অনুযায়ী (DOM সাইজ)

    গুগল অনুযায়ী একটি ওয়েবসাইটের নিম্নরূপ:- 

    i. ১,৫০০ নোডের নিচে → ভালো

    ii. ১,৫০০ – ৩,০০০ নোড → মেনে নেওয়া যায়, তবে কমানো ভালো

    iii. ৩,০০০ নোডের বেশি** → পারফরম্যান্স সমস্যার সম্ভাবনা

    iv. ৩২,০০০+ নোড** → অনেক ব্রাউজারে ক্র্যাশ করতে পারে

    ---


    DOM Size কমানোর উপায়

    * অপ্রয়োজনীয় `<div>` বা nested (ভেতরে ভেতরে অনেক) ট্যাগ বাদ দিন।

    * স্টাইলিংয়ের জন্য বেশি ট্যাগ না দিয়ে CSS ব্যবহার করুন।

    * অনেক লম্বা লিস্ট বা টেবিল একসাথে লোড না করে **pagination** বা **lazy load** ব্যবহার করুন।

    * অপ্রয়োজনীয় কনটেন্ট লুকিয়ে না রেখে সরাসরি মুছে ফেলুন।

    ---


    সংক্ষেপে:

    DOM size মানে হলো আপনার ওয়েবপেজে মোট কতগুলো HTML নোড/এলিমেন্ট আছে। DOM ছোট হলে ওয়েবসাইট দ্রুত লোড হয়, SEO ভালো হয়, আর ইউজার এক্সপেরিয়েন্সও উন্নত হয়।**

    ---



    DOM Size.w

    The end
  • Post not being indexed, some important tips.

    Page Not Index and tips.

    ইন্টারনেটে নতুন ওয়েবসাইট বা পুরাতন ওয়েবসাইট এ ব্লগ তৈরি করার পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো **Search Engine-এ পোস্ট ইনডেক্স করা**। ইনডেক্সিং হলো সেই প্রক্রিয়া যেখানে গুগল বা অন্য সার্চ ইঞ্জিন তোমার পেজ বা পোস্টকে তার ডাটাবেজে যুক্ত করে এবং সার্চ রেজাল্টে দেখাতে পারে। কিন্তু কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় খেয়াল রেখে ব্লগ তৈরি করতে হয়। যার কারণে আপনার পোস্ট সহজেই ইনডেক্স হয়। নিম্নে পোস্ট ইনডেক্স এর গুরুত্বপূর্ণ টিপস্ দেওয়া হলো-

    Post not being indexed.w

    ---

    1. Web Page Content:

    ওয়েব পেজ ইনডেক্স এর একটি গুরুত্ব বিষয় হলো কনটেন্ট। কনটেন্ট ছাড়া blogs website আপনি কল্পনাও করতে পারবেন না। কনটেন্ট দিকে বিশেষ খেয়াল রাখতে হয়। নিজের বিষয়গুলো গুরুত্বসহকারে দেখতে হবে। যেমন-

    i. সবসময় অরিজনাল কনটেন্ট নিয়ে কাজ করুন। মৌলিক এবং অরিজিনাল কনটেন্ট ।

    ii. কনটেন্টের দৈর্ঘ্য ও তথ্যপূর্ণ কনটেন্ট সার্চ ইঞ্জিনের কাছে সবসময়ই গুরুত্বপূর্ণ। 

    iii. কপি Copy-Paste কনটেন্ট বা thin content ইনডেক্স হতে সময় নেয় বা না-ও হতে পারে।

    *টিপস: অরিজিনাল কনটেন্ট দিন।  প্রতিটি পোস্টে কমপক্ষে 500–1000 শব্দ রাখার চেষ্টা করুন।

    ---

    2. Permalink (Search Engine Friendly URL) 

    পোস্ট ইনডেক্স এর আর একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় Permalink । এ বিষয়ও অবহেলা করা যাবে না। অবশ্যই Permalink  সেট করে দিবেন। Auto  permalinkও অনেক সময় ইনডেক্স সহায়ক হয়ে থাকে। 

    i. প্রতিটি পোস্টের URL সংক্ষিপ্ত, সিম্পল এবং কিওয়ার্ড-সমৃদ্ধ হওয়া উচিত। 

    ii. উদাহরণ:

    ```

    https://devbakul.blogspot.com/business some important tips

    ```

    iii. URL-এ স্পেশাল ক্যারেক্টার, চাইনিজ বা বাংলাসহ জটিল অক্ষর কম ব্যবহার করা ভালো।

    ---

    3. Meta Tags ও Title Tag

    i. প্রতিটি পোস্টে *title tag* এবং *meta description* থাকা উচিত।

    ii. Title tag → 50–60 অক্ষর

    iii. Meta description → 150–160 অক্ষর

    iv. Search Engine বুঝতে সাহায্য করে পোস্টের বিষয়বস্তু।

    উদাহরণ:

    ```html

    <title>Business | My Blog</title>

    <meta name="description" content="ওয়েবসাইট মনিটাইজ করার উপায় এবং কৌশল। Google AdSense, Affiliate Marketing সহ বিস্তারিত।">

    ```

    ---

    4. Internal Linking & Sitemap

    i. ওয়েবসাইটের *অন্যান্য পোস্ট বা পেজের সাথে লিঙ্কিং* ইনডেক্স দ্রুত করতে সাহায্য করে।

    ii. *XML Sitemap** তৈরি করে Google Search Console-এ সাবমিট করুন।

    iii. *Sitemap & robots.txt ঠিক থাকলে গুগল ক্রলার সহজে ওয়েবসাইট স্ক্যান করতে পারে।

    ---

    5. Google Search Console Integration

    i. Search Console-এ ওয়েবসাইট ভেরিফাই করা গুরুত্বপূর্ণ।

    ii. প্রতিটি নতুন পোস্ট **URL Inspection Tool** দিয়ে সরাসরি **Request Indexing** করা যায়।

    iii. এটি ইনডেক্সিং দ্রুত করতে সাহায্য করে।

    ---

    6. Responsive & Fast Loading Design

    i.* মোবাইল-ফ্রেন্ডলি এবং দ্রুত লোড হওয়া ওয়েবসাইট ইনডেক্সিং ও ranking উভয়েই সাহায্য করে।

    ii.* Google PageSpeed Insights বা Lighthouse ব্যবহার করে ওয়েবসাইট অপটিমাইজ করা যায়।

    ---

    7. External Links and Backlinks

    i. * মানসম্মত ওয়েবসাইট থেকে **backlink** পাওয়া ইনডেক্সিং এবং ranking উভয়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

    ii. * Low-quality বা spammy backlink এড়িয়ে চলুন।

    ---

    8. Social Signals

    i. * Social media (Facebook, Twitter, LinkedIn) থেকে পোস্ট শেয়ার করলে Google ক্রলার দ্রুত পোস্ট খুঁজে পায়।

    ii. * সঠিক Open Graph meta tag এবং Twitter card ব্যবহার করলে preview ও click-through বৃদ্ধি পায়।

    ----

    9. Consistency & Regular Updates

    i.* নতুন পোস্ট নিয়মিত দেওয়া ওয়েবসাইটকে ক্রলারদের জন্য active রাখে।

    ii. * পুরোনো পোস্ট আপডেট করলে Google আবার ইনডেক্স করে।

    ---

    উপসংহার

    একটি ওয়েবসাইটে পোস্ট ইনডেক্স হওয়ার জন্য মূলত এই বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ:
    1. অরিজিনাল এবং মানসম্মত কনটেন্ট
    2. SEO-friendly URL, title ও meta description
    3. Internal linking এবং sitemap
    4. Google Search Console integration
    5. Responsive এবং fast-loading design
    6. Quality backlinks এবং social signals

    এই সব মানদণ্ড পূরণ করলে নতুন পোস্ট দ্রুত সার্চ ইঞ্জিনে ইনডেক্স হবে এবং দর্শকও বাড়বে।

    ---

    read more.. What is Crawled and what does it do 

  • What is crowdfunding and how does it work?

    Crowdfunding

    crowdfunding.w

    আজকের দিনে ব্যবসা শুরু করা বা কোনো সামাজিক উদ্যোগ সফলভাবে চালাতে গেলে সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায় *অর্থের অভাব*। আগে উদ্যোক্তাদের ব্যাংক থেকে লোন নিতে হতো কিংবা বড় বিনিয়োগকারীদের খুঁজে বের করতে হতো। কিন্তু বর্তমানে ইন্টারনেটের কল্যাণে সহজ একটি উপায় এসেছে – সেটি হলো Crowdfunding (ক্রাউডফান্ডিং)।
    ---

    ক্রাউডফান্ডিং কী?

    Crowdfunding হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে অনেক মানুষ মিলে একটি নির্দিষ্ট প্রজেক্ট, ব্যবসা, বা সামাজিক উদ্যোগে অর্থ সহায়তা করে। এখানে একজন বা দুজন বড় বিনিয়োগকারীর উপর নির্ভর না করে, অনেক ছোট ছোট দল মিলিয়ে বড় একটি তহবিল গড়ে ওঠে।

    উদাহরণস্বরূপ – আপনি যদি একটি নতুন মোবাইল অ্যাপ বানাতে চান, তাহলে আপনি অনলাইনে একটি ক্যাম্পেইন খুলবেন এবং মানুষকে জানাবেন কেন আপনার প্রজেক্টটি দরকার। যে কেউ আগ্রহী হলে আপনার প্রজেক্টে ছোট বা বড় অংকের অর্থ দিতে পারবেন।
    ---

    ক্রাউডফান্ডিং এর ধরন

    ক্রাউডফান্ডিংয়ের বিভিন্ন ধরণ রয়েছে। প্রধান চারটি হলো –

    1. Donation-based Crowdfunding


       * মানুষ কোনো প্রজেক্টে দান করে কিন্তু বিনিময়ে কিছু পায় না।
       * যেমন: চিকিৎসার খরচ, দারিদ্র্য দূরীকরণ প্রজেক্ট, প্রাকৃতিক দুর্যোগে সহায়তা ইত্যাদি।


    2. Reward-based Crowdfunding


       * বিনিয়োগকারীরা কোনো পণ্য, সেবা বা ছোট রিওয়ার্ড পান।
       * যেমন: একটি নতুন গ্যাজেট বাজারে আসার আগে সমর্থকদের দেওয়া হয় সেই গ্যাজেটের একটি ফ্রি ভার্সন।

    3. Equity-based Crowdfunding


        বিনিয়োগকারীরা কোম্পানির শেয়ার বা মালিকানার অংশ পান।
       এটি স্টার্টআপ এবং ব্যবসার জন্য সবচেয়ে কার্যকর মডেল।

    4. Debt-based Crowdfunding (Peer-to-Peer Lending)


       বিনিয়োগকারীরা ঋণ দেয় এবং উদ্যোক্তা নির্দিষ্ট সময় পর সুদসহ সেই অর্থ ফেরত দেয়।
    ---

    কেন ক্রাউডফান্ডিং এত জনপ্রিয় হচ্ছে?

    1. ব্যাংক লোন বা জটিল কাগজপত্রের ঝামেলা নেই।
    2. সহজে বিশ্বজুড়ে বিনিয়োগকারীর কাছে পৌঁছানো যায়।
    3. নতুন প্রজেক্টের জন্য বাজারের আগ্রহ যাচাই করা সম্ভব।
    4. সাধারণ মানুষও চাইলে উদ্যোক্তাদের সাহায্য করতে পারে।
    5. সোশ্যাল মিডিয়ার কারণে প্রচার দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।
    ---

    বাংলাদেশে ক্রাউডফান্ডিং এর সম্ভাবনা

    বাংলাদেশে ক্রাউডফান্ডিং এখনো খুব বেশি প্রচলিত নয়, তবে দিন দিন এর ব্যবহার বাড়ছে।

    * চিকিৎসা খাতে অনেকেই  GoFundMe  ব্যবহার করছেন।
    * তরুণ উদ্যোক্তারা  Kickstarter  বা  Indiegogo প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করছেন নতুন প্রজেক্টের জন্য।
    * ভবিষ্যতে দেশীয় প্ল্যাটফর্ম তৈরি হলে স্থানীয় উদ্যোক্তারা আরও সহজে ফান্ড সংগ্রহ করতে পারবেন।
    ---

    একটি সফল ক্রাউডফান্ডিং ক্যাম্পেইনের টিপস

    1. আকর্ষণীয় গল্প (storytelling) ব্যবহার করুন।
    2. প্রজেক্টের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য পরিষ্কারভাবে বলুন।
    3. ছবি ও ভিডিও ব্যবহার করে ক্যাম্পেইন সাজান।
    4. সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচার করুন।
    5. বিনিয়োগকারীদের ছোটখাটো রিওয়ার্ড দিন।
    ---

    উপসংহার

    ক্রাউডফান্ডিং আজকের পৃথিবীতে একটি শক্তিশালী অর্থায়নের উপায়। এটি শুধু উদ্যোক্তাদের জন্য নয়, বরং সমাজের জন্যও অনেক উপকারী। ভবিষ্যতে বাংলাদেশে এই সিস্টেম আরও ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হবে বলে আশা করা যায়।
    ---

     Learn more..  Brochure এর অর্থ কী? 


  • Top 10 popular video topics on YouTube

    YouTube 10 Video Topics

    >বর্তমান সময়ে সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় ১০ ইউটিউব ক্যাটাগরি নিয়ে নিম্নে আলোচনা করা হলো।

    1. #রান্না ও রেসিপি ভিডিও**

    রান্না বিষয়ক কন্টেন্ট সবসময় জনপ্রিয়। বিশেষ করে গ্রামের রান্না, ফাস্টফুড বা ঐতিহ্যবাহী খাবারের ভিডিওতে প্রচুর ভিউ আসে।

    2. #টেকনোলজি টিউটোরিয়াল**

    মোবাইল রিভিউ, সফটওয়্যার ব্যবহার, অ্যাপস টিপস বা ফ্রি ইন্টারনেট ট্রিকস—এগুলো তরুণদের মাঝে খুব জনপ্রিয়।

    3. #লাইফস্টাইল ও ভ্লগিং**

    ব্যক্তিগত জীবনযাত্রা, গ্রামের জীবন, ভ্রমণ ভ্লগ – এসব ভিডিও অনেক দর্শক টানে।

    4. #হাস্যরসাত্মক ও শর্ট কমেডি ভিডিও**

    ছোট নাটক, মজার ভিডিও, শর্টস – এগুলো দ্রুত ভিউ এবং সাবস্ক্রাইবার বাড়ায়।

    5. #শিক্ষামূলক ভিডিও**

    চাকরির প্রস্তুতি, ইংরেজি শেখা, অনলাইন পড়াশোনা, একাডেমিক টিউটোরিয়াল – শিক্ষার্থীদের মধ্যে বেশ জনপ্রিয়।

    6. #অনলাইন আয় ও ফ্রিল্যান্সিং গাইড**

    বাংলাদেশে তরুণদের সবচেয়ে আগ্রহী বিষয় হলো অনলাইনে আয়। এই নিয়ে ভিডিও করলে দ্রুত ভিউ আসে।

    7. #স্বাস্থ্য ও ফিটনেস টিপস**

    ঘরোয়া চিকিৎসা, স্বাস্থ্য টিপস, ডায়েট প্ল্যান বা ব্যায়াম – এসব ভিডিও সব বয়সী মানুষের কাছে আকর্ষণীয়।

    8. #গান ও কাভার ভিডিও**

    বাংলা গান কাভার, নতুন মিউজিক, কভার সং – এ ধরনের ভিডিও সবসময় ট্রেন্ডে থাকে।

    9. #শিশুদের জন্য ভিডিও**

    ছড়া, গল্প, কার্টুন, টয় রিভিউ – এসব ভিডিও শিশুদের পাশাপাশি অভিভাবকদেরও আকর্ষণ করে।

    10. #ভ্রমণ ও ট্যুরিজম**

    বাংলাদেশের দর্শনীয় স্থান নিয়ে ভ্রমণ ভিডিও, বিদেশ ভ্রমণ অভিজ্ঞতা বা ট্যুর গাইডলাইন – এগুলো ভিউ আনার দারুণ একটি বিষয়।

    ---

    ইউটিউবে টপিক বেছে নেওয়ার সময় সবসময় খেয়াল রাখবেন – **যেটা আপনি জানেন এবং ভালোভাবে করতে পারবেন, সেটাই নিন**। নিয়মিত ভিডিও আপলোড করলে সফলতা আসবে।

    ``````````

    Learn More.. What kind of videos should you make on YouTube to get good views

    The end

  • What kind of videos should you make on YouTube to get good views

    YouTube, for good views

    বর্তমানে ইউটিউব শুধু বিনোদনের মাধ্যম নয়, বরং আয় করার অন্যতম বড় প্ল্যাটফর্ম। অনেকেই প্রশ্ন করেন—**“ইউটিউবে কি ধরনের ভিডিও বানালে ভালো ভিউ আসবে?”** আসলে ইউটিউবে এমন অসংখ্য বিষয় আছে, যেগুলোতে ভিডিও বানিয়ে সহজেই দর্শক পাওয়া যায়। আজকে আমরা জানব, ইউটিউবে কোন কোন বিষয় নিয়ে ভিডিও বানানো যায়।

    ---

    ১. শিক্ষা বিষয়ক ভিডিও

    শিক্ষা সম্পর্কিত ভিডিও সবসময় জনপ্রিয় থাকে।

    i. গণিত, ইংরেজি, বিজ্ঞান ইত্যাদি বিষয়ে টিউটোরিয়াল

    ii. চাকরির প্রস্তুতি (BCS, ব্যাংক, সরকারি চাকরি)

    iii. আইটি শিক্ষা (কম্পিউটার, কোডিং, গ্রাফিক্স ডিজাইন)

    iv. ভাষা শিক্ষা (ইংরেজি স্পোকেন, আরবি, কোরিয়ান ইত্যাদি)

    ---

    ২. টেকনোলজি ভিডিও

    বাংলাদেশে প্রযুক্তি নিয়ে কন্টেন্টের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে।

    i. মোবাইল রিভিউ ও আনবক্সিং

    ii. কম্পিউটার/ল্যাপটপ টিপস

    iii. অ্যাপস এবং সফটওয়্যার ব্যবহার পদ্ধতি

    iv. ইন্টারনেট ও অনলাইন আয় বিষয়ক টিউটোরিয়াল

    ---

    ৩. কুকিং বা রেসিপি ভিডিও

    খাবার সম্পর্কিত ভিডিও সবসময় ভিউ পায়।

    i. ঘরোয়া রান্নার রেসিপি

    ii. ফাস্ট ফুড ও মিষ্টির রেসিপি

    iii. গ্রামীণ খাবারের বিশেষ আয়োজন

    iv. হেলদি ফুড বা ডায়েট রেসিপি

    ---

    ৪. ভ্লগিং (Vlogging)

    অনেকেই ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা শেয়ার করে ভিউ পান।

    i. ভ্রমণ ভ্লগ

    ii. গ্রামীণ জীবনযাত্রা

    iii. দৈনন্দিন লাইফস্টাইল

    iv. বিশেষ ইভেন্ট (বিয়ে, মেলা, উৎসব)

    ---

    ৫. বিনোদনমূলক ভিডিও

    বিনোদনের কন্টেন্ট ইউটিউবের সবচেয়ে জনপ্রিয় সেক্টর।

    i. ছোট নাটক ও কমেডি ভিডিও

    ii. গান কাভার

    iii. নাচ ও মিউজিক ভিডিও

    iv. মজার শর্ট ভিডিও

    ---

    ৬. হেলথ ও ফিটনেস ভিডিও

    স্বাস্থ্য সম্পর্কিত ভিডিওরও আলাদা গুরুত্ব রয়েছে।

    i. হেলথ টিপস

    ii. ঘরোয়া চিকিৎসা

    iii. ব্যায়াম ও যোগব্যায়াম

    iv. ডায়েট চার্ট ও ফিটনেস টিপস

    ---

    ৭. রিভিউ ও গাইডলাইন

    মানুষ কেনাকাটা বা ব্যবহার করার আগে রিভিউ খোঁজে।

    i. পণ্যের রিভিউ (মোবাইল, ইলেকট্রনিক্স, কসমেটিক্স)

    ii. বই রিভিউ

    iii. সিনেমা বা ওয়েব সিরিজ রিভিউ

    iv. ভ্রমণস্থান রিভিউ

    ---

    ৮. অনলাইন আয় ও ক্যারিয়ার

    বর্তমানে তরুণদের মধ্যে এই বিষয়গুলো খুব জনপ্রিয়।

    i. ফ্রিল্যান্সিং গাইড

    ii. অনলাইন আয়ের উপায়

    iii. ক্যারিয়ার কাউন্সেলিং

    iv. ব্যবসায়িক টিপস

    --

    ৯. শিশুদের জন্য ভিডিও

    শিশুদের জন্য ভিডিওরও আলাদা মার্কেট আছে।

    i. কার্টুন

    ii. ছড়া ও গল্প

    iii. শিক্ষা ভিত্তিক ভিডিও

    iv. টয় রিভিউ

    ---

     ১০. কৃষি ও গ্রামীণ উদ্যোগ

    বাংলাদেশের গ্রামে বসবাসকারীদের জন্য এটি অনেক কাজের।

    i. আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি

    ii. মাছ ও মুরগি পালন

    iii. ব্যবসা শুরু করার গাইডলাইন

    iv. গ্রামীণ লাইফস্টাইল

    ---

    উপসংহার

    ইউটিউবে সফল হতে হলে আপনাকে এমন বিষয় বেছে নিতে হবে যেটি আপনি **ভালো জানেন এবং করতে পছন্দ করেন**। নিয়মিত ও মানসম্মত কন্টেন্ট তৈরি করলে দর্শক বাড়বে, আর তখনই আয় শুরু হবে।

    ---


    What kind of videos should you make.w

    The end.....

  • What is Crawled and what does it do

    Crawled 

    ওয়েবসাইট বা ব্লগ নিয়ে কাজ করলে আপনি নিশ্চয়ই “**Crawled**” শব্দটি শুনেছেন। বিশেষ করে **Google Search Console** এ দেখা যায়—

    * Crawled

    * Crawled but not indexed

    * Discovered but not crawled ইত্যাদি।


    চলুন জেনে নেই Crawled বলতে কী বোঝায় এবং এর কাজ কী।

    ---


    Crawled কী?

    **Crawled** শব্দটি এসেছে “Crawl” থেকে। সার্চ ইঞ্জিন (যেমন Google, Bing) যখন আপনার ওয়েবসাইট ভিজিট করে এবং সেখানে থাকা **পোস্ট, পেজ, লিংক, ইমেজ ইত্যাদি ডাটা পড়ে নেয়**, তখন তাকে Crawling বলে।


    অর্থাৎ, **Crawled মানে হলো সার্চ ইঞ্জিন বট আপনার সাইটে ঘুরে বেড়িয়ে সব কন্টেন্ট স্ক্যান করেছে।**

    ---


    Crawling কিভাবে কাজ করে?

    1. **Googlebot / Spider ভিজিট করে**

       সার্চ ইঞ্জিনের বিশেষ প্রোগ্রাম (যাকে Spider বা Bot বলে) আপনার ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে।


    2. **লিংক খুঁজে বেড়ায়**

       সাইটের ভেতরের সব লিংক, পোস্ট, পেজ, ইমেজ, মেটা ট্যাগ পড়তে শুরু করে।


    3. **ডেটা সংগ্রহ করে**

       কোন কন্টেন্ট নতুন, কোনটা আপডেটেড—এসব তথ্য সংগ্রহ করে Google Index এ পাঠায়।


    4. **ইনডেক্স করার প্রস্তুতি নেয়**

       Crawling শেষ হলে Google সিদ্ধান্ত নেয়, কোন কন্টেন্ট সার্চ রেজাল্টে দেখানো হবে।


    ---


    * সার্চ ইঞ্জিনকে আপনার ওয়েবসাইট সম্পর্কে ধারণা দেওয়া।

    * নতুন পোস্ট বা আপডেটেড কন্টেন্ট সার্চ ইঞ্জিনে পৌঁছে দেওয়া।

    * কন্টেন্ট ইনডেক্স হওয়ার প্রথম ধাপ তৈরি করা।

    * SEO র‍্যাংকিংয়ের জন্য ভিত্তি তৈরি করা।


    👉 মনে রাখবেন, **Crawled মানেই ইনডেক্স হয়েছে না**। Crawled মানে শুধু Google আপনার কন্টেন্ট ভিজিট করেছে।

    ইনডেক্স করার জন্য Google-এর অ্যালগরিদম দেখে কন্টেন্ট যথেষ্ট ভালো কিনা।


    ---


    Crawl না হওয়ার কারণ কী হতে পারে?

    * Robots.txt ফাইলে ব্লক করা আছে।

    * সাইটে টেকনিক্যাল এরর (৪০৪, ৫০০ এরর)।

    * ডুপ্লিকেট কন্টেন্ট বেশি।

    * নতুন সাইট হলে Googlebot এখনো ভিজিট করেনি।


    ---


    উপসংহার


    **Crawled হলো সার্চ ইঞ্জিন বটের কাজ, যেখানে তারা আপনার ওয়েবসাইট ভিজিট করে এবং ডেটা সংগ্রহ করে।** এটি SEO ও সার্চ ভিজিবিলিটির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। Crawling ছাড়া কন্টেন্ট কখনোই Google সার্চে আসবে না।

    ---

    What is Crawled and what does it do

    The end

  • Marketing and the importance of marketing. The key to success in business

    Marketing and business

    বর্তমান কোনো কো বিজিনেস করার উদ্যোগ নেওয়ার সাথে সাথে Marketing এর ও পরিকল্পনা করা হয়ে থাকে। কেননা পণ্য তৈরি করা সহজ কিন্তু সেই পণ্য বাজারজাত করা কিন্তু কঠিণ এবং জটিল বিষয়। তাই পণ্য তৈরির সাথে সাথেই Marketing শুরু করতে হয়। কেননা পণ্য আগে থেকেই যদি অর্ডার আশা শুরু করে তবে বুঝতে হবে যে ব্যবসা রানিং হয়ে গেছে। 

    বর্তমান বিশ্বে শুধু প্রতিযোগিতামূলক ভালো পণ্য বা সেবা তৈরি করলেই সফলতা আসে না। সেই পণ্য বা সেবা সম্পর্কে গ্রাহককে পরিচয় করানো, তাদের অবহিত করা, তাদের সাথে সম্পর্ক তৈরি করা এবং ব্র্যান্ডের প্রতি আস্থা, পণ্যের চাহিদা গড়ে তোলার কাজটাই হলো **মার্কেটিং**।

    ---


    # 🔹 মার্কেটিং কী?


    মার্কেটিং হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে গ্রাহকের চাহিদা বোঝা, সেই চাহিদা অনুযায়ী পণ্য বা সেবা তৈরি করা এবং সঠিকভাবে তা গ্রাহকের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়। সহজভাবে বললে, মার্কেটিং মানেই হলো **পণ্য বা সেবার সঠিক বার্তা সঠিক মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া**।


    ---


    ## 🔹 কেন মার্কেটিং গুরুত্বপূর্ণ?


    1. **ব্র্যান্ড পরিচিতি বৃদ্ধি করে** – আপনি কি সেবা দেবেন, কি পণ্য, মানুষ আপনার ব্যবসা বা পণ্য সম্পর্কে জানতে পারে।

    2. **বিক্রি বাড়ায়** – যত বেশি প্রচার, তত বেশি সম্ভাব্য ক্রেতা। ধীরে ধীরে পণ্যের বাজার তৈরি করা। 

    3. **গ্রাহকের সাথে সম্পর্ক তৈরি করে** – দীর্ঘমেয়াদে বিশ্বস্ত গ্রাহক পাওয়া যায়। যা গ্রাহক নিজেই পণ্যের মার্কেটিং করে দেবে।

    4. **প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে সাহায্য করে** – প্রতিদ্বন্দ্বীদের থেকে আলাদা হতে পারবেন।


    ---


    ## 🔹 মার্কেটিং এর ধরন


    ### 1. **Traditional Marketing**


    * টিভি, রেডিও, পত্রিকা, ব্যানার, পোস্টার ইত্যাদির মাধ্যমে প্রচার।

    * এখনো গ্রামীণ বা লোকাল মার্কেটে কার্যকর।


    ### 2. **Digital Marketing**


    * অনলাইনে প্রচারের কৌশল।

    * এর মধ্যে SEO, Social Media Marketing, Email Marketing, Content Marketing, Paid Ads ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত।

    * বর্তমানে সবচেয়ে জনপ্রিয় পদ্ধতি।


    ---


    ## 🔹 ডিজিটাল মার্কেটিং এর সুবিধা


    * কম খরচে বেশি মানুষের কাছে পৌঁছানো যায়।

    * নির্দিষ্ট টার্গেট গ্রাহকদের কাছে বিজ্ঞাপন দেখানো যায়।

    * রেজাল্ট সহজে ট্র্যাক করা যায় (কতজন দেখল, ক্লিক করল, কিনল)।


    ---


    ## 🔹 সফল মার্কেটিংয়ের টিপস


    1. **টার্গেট অডিয়েন্স নির্ধারণ করুন** – আপনার পণ্য কার জন্য, তা পরিষ্কার করুন।

    2. **ভ্যালু প্রোপোজিশন ঠিক করুন** – কেন মানুষ আপনার পণ্য বেছে নেবে, সেটা তুলে ধরুন।

    3. **সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করুন** – ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, ইউটিউব হলো সেরা মাধ্যম।

    4. **কন্টেন্ট তৈরি করুন** – ব্লগ, ভিডিও, ইনফোগ্রাফিক, রিলস ইত্যাদি।

    5. **রিভিউ ও ফিডব্যাক নিন** – গ্রাহকের আস্থা গড়ে তুলতে সাহায্য করে।


    ---


    ## 🔹 উপসংহার


    ব্যবসায় টিকে থাকার জন্য শুধু ভালো পণ্য থাকলেই হয় না, সঠিক মার্কেটিং কৌশল ব্যবহার করাও জরুরি। সঠিকভাবে পরিকল্পনা করে প্রচার করলে আপনার ব্যবসা আরও দ্রুত বৃদ্ধি পাবে এবং ব্র্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।


    ---

    The end

  • What topics can be blogged about?

    Blogs Topics.

    বর্তমান সময়ে Bloging শুধু একটি শখ নয়, বরং এটি একটি ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগও তৈরি করছে। অনেকেই নতুন করে ব্লগ শুরু করতে চান কিন্তু সমস্যায় পড়েন – *কোন বিষয়ে ব্লগ লিখব?*


    আসলে ব্লগ লেখার বিষয় নির্ভর করে আপনার **পছন্দ, জ্ঞান, অভিজ্ঞতা** এবং **টার্গেট পাঠকের প্রয়োজনের উপর**। তবে কিছু জনপ্রিয় বিষয় আছে যেগুলো নিয়ে ব্লগ লিখলে সহজেই পাঠকের দৃষ্টি আকর্ষণ করা যায়।
    ---


    ## 🌍 ১. টেকনোলজি ও গ্যাজেটস

    প্রযুক্তি প্রতিদিন পরিবর্তন হচ্ছে।


    * নতুন মোবাইল, ল্যাপটপ, বা গ্যাজেট রিভিউ
    * সফটওয়্যার বা অ্যাপস ব্যবহারের টিপস
    * অনলাইন সিকিউরিটি ও সাইবার নিরাপত্তা

      👉 টেক ব্লগ সবসময় পাঠকের কাছে জনপ্রিয়।
    ---


    ## 💡 ২. শিক্ষা ও ক্যারিয়ার

    বাংলাদেশে শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রত্যাশীদের সংখ্যা অনেক বেশি।

    * ভর্তি প্রস্তুতি, বোর্ড পরীক্ষার টিপস
    * চাকরির প্রস্তুতি, CV লেখার নিয়ম
    * ক্যারিয়ার গাইডলাইন
      👉 এই বিষয়গুলো সবসময় রিডার পায়।
    ---


    ## 🩺 ৩. স্বাস্থ্য ও জীবনযাপন

    মানুষ এখন স্বাস্থ্যসচেতন।

    * ডায়েট প্ল্যান ও স্বাস্থ্য টিপস
    * মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক লেখা
    * ফিটনেস ও ব্যায়াম রুটিন
      👉 এই ধরনের ব্লগ সহজে শেয়ার হয় এবং ট্র্যাফিক বাড়ায়।
    ---


    ## ✈️ ৪. ভ্রমণ ও লাইফস্টাইল

    ভ্রমণপ্রিয় মানুষদের জন্য ট্রাভেল ব্লগ খুব জনপ্রিয়।

    * ভ্রমণ কাহিনি
    * ভ্রমণের খরচ ও টিপস
    * নতুন জায়গার ফুড কালচার
      👉 ভ্রমণ ব্লগ ভিজ্যুয়ালি আকর্ষণীয় হয় এবং অনেক ফলোয়ার আনে।
    ---


    ## 🍳 ৫. রান্না ও খাবার

    খাদ্যপ্রেমী পাঠক সব দেশেই আছে।
    * রেসিপি শেয়ার
    * নতুন খাবারের রিভিউ
    * স্বাস্থ্যকর খাবার টিপস
      👉 ফুড ব্লগ ইউটিউব/সোশ্যাল মিডিয়াতেও প্রচুর জনপ্রিয়।
    ---


    ## 💻 ৬. অনলাইন ইনকাম ও ফ্রিল্যান্সিং

    যুব সমাজের কাছে সবচেয়ে আলোচিত বিষয়।

    * ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্ম (Upwork, Fiverr, Freelancer)
    * ব্লগ থেকে আয় করার উপায়
    * এফিলিয়েট মার্কেটিং ও ডিজিটাল মার্কেটিং
      👉 যারা ইনকাম নিয়ে আগ্রহী তাদের জন্য এগুলো দারুণ কাজ করে।
    ---


    ## 📰 ৭. সমসাময়িক খবর ও মতামত

    যে কোনো দেশের রাজনীতি, অর্থনীতি, বা সামাজিক ইস্যু নিয়ে বিশ্লেষণমূলক লেখা ব্লগে অনেক পাঠক আনে।
    ---


    ## 🎨 ৮. ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ও গল্প

    নিজের জীবনের অভিজ্ঞতা, সফলতার গল্প বা সংগ্রামের কাহিনি শেয়ার করলে পাঠক সহজেই কানেক্ট হয়।
    ---


    # ✅ উপসংহার

    ব্লগ লেখার বিষয় অসংখ্য হতে পারে। মূল কথা হলো, **যে বিষয়ে আপনার আগ্রহ বেশি এবং পাঠকের উপকার হবে, সেই বিষয়ে ব্লগ শুরু করা উচিত**।
    ---

    what-topics-can-be-blogged

    The end

GET A FREE QUOTE NOW

If you need any advice regarding your required website, Google Blog, Search Console, Google Analytics, YouTube, Social Page/Marketing, Web Marketing, Web Redesign etc. feel free to message me.

💬 Send Me Message

🏠Address

ADDRESS

Natore-6440, Rajshahi,

Dhaka, Bangladesh

EMAIL

bakulksarkar@gmail.com

bakulksarkar2@gmail.com

PHONE CALL

+8801783070172

Whats App

+8801783070172